সমাসবদ্ধ শব্দ লেখার সময় আমরা প্রায়ই দ্বিধান্বিত হয়ে যাই যে শব্দের মাঝে ফাঁকা হবে কি না। চলুন জেনে নেওয়া যাক সমাসবদ্ধ শব্দ লেখার যথাযথ নিয়ম।

সমাসবদ্ধ শব্দ যথাসম্ভব একসাথে লিখতে হবে।
দৃষ্টান্ত :
১. উগান্ডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
২. ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী এখন করোনামুক্ত
৩. ভাষাসৈনিকদের প্রতি সকলে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়।
৪. ভ্রমরকালো চোখ তার।
৫. তোমার চাঁদমুখ দেখে দিশা হারাই।
৬. তাঁর কাছেই আমার বাংলা শেখার হাতেখড়ি
৭. তাঁর মতো মহাপুরুষ দ্বিতীয়টি নেই।
৮. সে আজ অনেকদিন ধরে বাড়িছাড়া
৯. ওই আয়তলোচনে হারাতে চাই।
১০. মনমাঝি তোর বইঠা নে রে, আমি আর বাইতে পারলাম না।

তবে প্রয়োজনে সমাসবদ্ধ শব্দকে হাইফেনযোগে লেখা যায়।
দৃষ্টান্ত :
১. আমার মা-বাবা আমাকে অনেক স্নেহ করেন।
২. তাদের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্ক।
৩. এমন ভুল কম-বেশি সবাই করে।
৪. সে করোনা-আক্রান্ত
৫. আমাদের বানান-বাতায়ন কি আপনার ভালো লাগে?

সমাসবদ্ধ শব্দে বিশেষণ পদ থাকলে সাধারণত আলাদা লিখতে হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. লাল গোলাপ সবাই পছন্দ করে।
২. শুভ সকাল
৩. নীল আকাশ আমার অনেক প্রিয়।
৪. তার মতো ভালো মানুষ খুব কম দেখা যায়।
৫. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আমরা শহিদ মিনারে ফুল দিতে যাই।

তবে কিছু ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ শব্দে বিশেষণ পদ থাকলেও তা একসাথে বসতে পারে। যেমন—তোমার জন্য শুভকামনা রইল। মূলত অর্থবিভ্রান্তির আশঙ্কা থাকলে বা উচ্চারণ শ্রুতিকটু হলে বিশেষণ পদ থাকলেও তা একসাথে বসতে পারে।