সমাস কাকে বলে সেটা প্রায় সবারই জানা। তবুও আরেকবার মনে করিয়ে দিই। সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন, একপদীকরণ। কতগুলো পরস্পরসম্পর্কিত পদ যখন একসঙ্গে হয়ে নতুন একটি পদ গঠন করে তখন তাকে সমাস বলে। সমাসের ফলে ব্যবহৃত শব্দের সংখ্যা কমে যায়, অর্থাৎ কম শব্দ ব্যবহার করে একই অর্থ প্রকাশ করা যায়।

মূলত একাধিক শব্দকে সংক্ষেপ করতে সমাসের উদ্ভব। সমাসের মাধ্যমে যে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদ বলে।
সমাসের জন্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি পদকে সমস্যমান পদ বলা হয়। সবগুলো সমস্যমান পদকে একসঙ্গে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলে।  সমাসযুক্ত পদের প্রথমটিকে বলে পূর্বপদ এবং পরের প্রধান পদটিকে পরপদ বা উত্তরপদ বলে।

এবার একটি সমাস লক্ষ করা যাক। মহান যে নবি = মহানবি। এখানে মহান পূর্বপদ, নবি পরপদ ও মহানবি সমস্তপদ। এখানে মহান, যে ও নবি প্রত্যেকটি সমস্যমান পদ। সমাস প্রধানত ৬ প্রকার—দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।

দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থ সমস্তপদে বজায় থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। অর্থাৎ, পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমস্তপদে বজায় থাকে। দ্বন্দ্ব সমাস উভয়পদপ্রধান। দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদকে যুক্ত করতে ও, এবং, আর ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. আসল ও নকল = আসল-নকল।
২. ভাই ও বোন = ভাই-বোন।
৩. মা ও বাবা = মা-বাবা।
৪. উঁচু ও নিচু = উঁচু-নিচু।
৫. এখানে ও সেখানে = এখানে-সেখানে।
৬. কাঁচা ও পাকা = কাঁচা-পাকা।
৭. ছোটো ও বড়ো = ছোটো-বড়ো।
৮. পড়া ও শোনা = পড়াশোনা।
৯. ওঠা ও বসা = ওঠাবসা।
১০. খাতা ও পত্র = খাতাপত্র।

   ক. অলুক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. সাপে ও নেউলে = সাপে-নেউলে।
২. পথে ও ঘাটে = পথেঘাটে।
৩. চোখে ও মুখে = চোখে-মুখে।

   খ. বহুপদী দ্বন্দ্ব : তিনটি বা তার বেশি পদ মিলে দ্বন্দ্ব সমাস হলে তাকে বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. সাহেব, বিবি ও গোলাম = সাহেব-বিবি-গোলাম।

কর্মধারয় সমাস

বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের মিলনে যে সমাস হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ সমস্তপদে বজায় থাকে। কর্মধারয় সমাস পরপদপ্রধান।
দৃষ্টান্ত :
১. মহান যে রাজা = মহারাজ।
২. খাস যে জমি = খাসজমি।
৩. যিনি লাট তিনি সাহেব = লাটসাহেব।
৪. কু (মন্দ) যে নজর = কুনজর।
৫. সৎ যে কর্ম = সৎকর্ম।
৬. ভাজা যে বেগুন = বেগুনভাজা।
৭. যিনি পণ্ডিত তিনিই মশাই = পণ্ডিতমশাই।

   ক. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় : যে কর্মধারয় সমাসের মধ্যপদ সমস্তপদে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
২. দুধ মেশানো ভাত = দুধভাত।
৩. মোটর চালিত গাড়ি = মোটরগাড়ি।

  খ. উপমান কর্মধারয় : যার সঙ্গে তুলনা করা হয় তাকে বলে উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় তাকে বলে উপমেয়। পূর্বপদে উপমান-বিশেষ্য ও পরপদে সাধারণ গুণবাচক বিশেষণ মিলে যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র।
২. বজ্রের ন্যায় কঠোর = বজ্রকঠোর।
৩. যে বকের মতো ধার্মিক = বকধার্মিক।

  গ. উপমিত কর্মধারয় : পূর্বপদে উপমান বিশেষ্য ও পরপদে উপমিত বিশেষ্য মিলে যে সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। উপমিত কর্মধারয় সমাসে দুটো পদই বিশেষ্য পদ কিন্তু উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি বিশেষ্য পদ থাকে, পার্থক্য এখানেই।
দৃষ্টান্ত :
১. চাঁদের ন্যায় মুখ = চাঁদমুখ।
২. কর পল্লবের ন্যায় = করপল্লব।
৩. পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

  ঘ. রূপক কর্মধারয় : পূর্বপদে উপমান-বিশেষ্য ও পরপদে উপমান-বিশেষ্যর মধ্যে অভেদ কল্পনা করে যে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
২. জীবন রূপ যুদ্ধ = জীবনযুদ্ধ।
৩. বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু।
৪. মোহ রূপ নিদ্রা = মোহনিদ্রা।

তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদের বিভক্তি সমস্তপদে লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
ক. দ্বিতীয়া তৎপুরুষ : পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. লোককে দেখানো = লোকদেখানো।
২. চাঁদকে দেখা = চাঁদ দেখা।

ব্যাপ্তি অর্থেও দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
দৃষ্টান্ত : চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী।

খ. তৃতীয়া তৎপুরুষ : পূর্বপদের তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. ঢেঁকি দিয়ে ছাঁটা = ঢেঁকিছাঁটা।
২. মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।
৩. মন দিয়ে গড়া = মনগড়া।

গ. চতুর্থী তৎপুরুষ : পূর্বপদের চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে), নিমিত্ত, জন্যে, উদ্দেশ্য ইত্যাদি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. শিশুদের জন্যে পার্ক = শিশুপার্ক।
২. এতিমদের জন্যে খানা = এতিমখানা।
৩. বিদ্যার নিমিত্ত আলয় = বিদ্যালয়।

ঘ. পঞ্চমী তৎপুরুষ : পূর্বপদের পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে, চেয়ে, অপেক্ষা) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. হাত থেকে ছাড়া = হাতছাড়া।
২. প্রাণের চেয়ে প্রিয় = প্রাণপ্রিয়।
৩. পথ হতে ভ্রষ্ট = পথভ্রষ্ট।

ঙ. ষষ্ঠী তৎপুরুষ : পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. বিশ্বের কবি = বিশ্বকবি।
২. আমের গাছ = আমগাছ।
৩. রাষ্ট্রের পতি = রাষ্ট্রপতি।
৪. হাতের ঘড়ি = হাতঘড়ি।

ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ না পেলে তাকে অলুক ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. মনের মানুষ = মনের মানুষ।
২. কলের গান = কলের গান।

চ. সপ্তমী তৎপুরুষ : পূর্বপদের সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. বস্তায় বন্দি = বস্তাবন্দি।
২. অকালে পক্ব = অকালপক্ব।
৩. ঝুড়িতে ভরতি = ঝুড়িভরতি।

ছ. নঞ্ তৎপুরুষ : না-বাচক শব্দ (না, নেই, নাই, নয়, অ, অনা, অনা, গর প্রভৃতি) পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. ন আচার = অনাচার।
২. ন কাতর = অকাতর।
৩. অন আদর = অনাদর।

জ. উপপদ তৎপুরুষ : পূর্বপদের সঙ্গে কৃৎপ্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে সমাস গঠন করে তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
২. পা চাটে যে = পা-চাটা।
৩. পকেট মারে যে = পকেটমার।

ঝ. অলুক তৎপুরুষ : যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. গায়ে পড়া = গায়েপড়া।
২. ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়ে ভাজা।
৩. গোরুর গাড়ি = গোরুর গাড়ি।

বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে সমস্যমান পদের অর্থ সম্পূর্ণ না বুঝিয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

ক. ব্যতিহার বহুব্রীহি : যে সমাসের পরপদে পূর্বপদের বিশেষ্য বা ক্রিয়ার দ্বিরুক্তি প্রকাশ পায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. হাতে হাতে যে লড়াই = হাতাহাতি।
২. লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি।
৩. গলায় গলায় যে ভাব = গলাগলি।

খ. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি : পূর্বপদের বিশেষণ ও পরপদের বিশেষ্য পদ মিলে যে সমাস হয় তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. বদ নসিব যার = বদনসিব।
২. নীল কণ্ঠ যার = নীলকন্ঠ।
৩. হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী।

গ. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি : বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটাই বিশেষণ না হলে তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
দুষ্টান্ত :
১. আশীতে বিষ যার = আশীবিষ।
২. ধামা ধরা স্বভাব যার = ধামাধরা।
৩. কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব।

ঘ. নঞ্ বহুব্রীহি : বিশেষ্য পূর্বপদের আগে না-বোধক অব্যয় যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তাকে নঞ্ বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. নেই চেতনা যার = অচেতন।
২. নয় জানা যা = অজানা।
৩. নেই ভুল যাতে = নির্ভুল।

ঙ. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি : ব্যাসবাক্যের ব্যাখ্যামূলক মধ্যপদ লুপ্ত হয়ে যে বহুব্রীহি সমাস গঠিত হয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. ক্ষুরের মতো ধার এমন = ক্ষুরধার।
২. বিড়ালের মতো চোখ যার = বিড়ালচোখী।
৩. গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ।

চ. অলুক বহুব্রীহি : যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ বা পরপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি।
২. চশমা নাকে এমন যার = চশমা-নাকে।

ছ. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি : যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো।
২. দুই তলা যার = দোতলা।
৩. দুই দিকে টান যার = দোটানা।

জ. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি : যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ যুক্ত হয় তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. চৌ (চার) চাল যে ঘরের = চৌচালা।
২. দশ হাত দৈর্ঘ্য যার = দশহাতি।
৩. তে (তিন) পায়া যার = তেপায়া।

ঝ. নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি : যে বহুব্রীহি সমাস নিয়ম মেনে গঠিত হয় না তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমূর্খ।
২. জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত।

দ্বিগু সমাস

সমাহার, সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদ যুক্ত হয়ে যে সমাস গঠন করে তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. চৌ (চার) রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা।
২. সাত সমুদ্রের সমাহার = সাতসমুদ্র।
৩. শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।

অব্যয়ীভাব সমাস

যে সমাসের সমস্তপদের আগে অব্যয় যুক্ত হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. কূলের সমীপে = উপকূল।
২. দিন দিন = প্রতিদিন।
৩. আমিষের অভাব = নিরামিষ।
৪. পা হতে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।
৫. গ্রহের সদৃশ = উপগ্রহ।
৬. বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্‌বেল।
৭. ঈষৎ রক্ত = আরক্ত।

উপরিউক্ত ৬ প্রকারের সমাস ছাড়াও আরও ২টি অপ্রধান  সমাসের দেখা মেলে।
ক. প্রাদি সমাস : প্র, প্রতি, অনু ইত্যাদি অব্যয়ের সঙ্গে কৃৎপ্রত্যয়সাধিত বিশেষ্যর যে সমাস হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. পরি (চারিদিক) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ।
২. প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন।

খ. নিত্য সমাস : যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে তাকে নিত্য সমাস বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. অন্য দেশ = দেশান্তর।
২. তুমি, আমি ও সে = আমরা।
৩. কাল তুুল্য সাপ = কালসাপ।

যা-ই হোক, কিছু কিছু সময় একই শব্দ একাধিক সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। মোটকথা, প্রশ্নে যে-কোনো একটি সঠিক উত্তর দেওয়া থাকবে। তাছাড়া লিখিত প্রশ্নে সমাস কাকে বলে জিজ্ঞেস করলে প্রথম অনুচ্ছেদটুকু যথেষ্ট। আর, ‘সমাস কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী’ প্রশ্ন হলে সংজ্ঞার্থ দিয়ে সঙ্গে প্রতিটির সামান্য বিস্তারিতসহ উদাহরণ লিখলে যথেষ্ট।