ক্রিয়ার কাল কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী?

ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার সময়কে ক্রিয়ার কাল বলে। ক্রিয়া বা কাজ কোনো না কোনো একটা সময়েই সংঘটিত হয়, সেই সময়টাই মূলত ক্রিয়ার কাল। ক্রিয়ার কাল ৩ প্রকার—বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ।

বর্তমান কাল

যে ক্রিয়া এখন সম্পন্ন হচ্ছে তাকে বর্তমান কাল বলে। মূলত চলমান কালই বর্তমান কাল। বর্তমান কাল আবার ৩  প্রকার :
সাধারণ বর্তমান : যে ক্রিয়ার কাজটি সাধারণভাবে বর্তমানে ঘটে তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।
২. আমি প্রতিদিন মাঠে খেলতে যাই।
৩. পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে।

ঘটমান বর্তমান : যে ক্রিয়ার কাজ শুরু হয়ে এখনও চলছে অর্থাৎ শেষ হয়নি তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি এখন বই পড়ছি।
২. শিশুটি কাঁদছে।
৩. মা নামাজ পড়ছে।

পুরাঘটিত বর্তমান : যে ক্রিয়া কাজ কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বিদ্যমান তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি লেখা শেষ করেছি।
২. রাতুল ইশকুল থেকে বাড়ি ফিরেছে।
৩. পড়া না পারায় শিক্ষক মোহনকে পিটিয়েছেন।

অতীত কাল

যে ক্রিয়া আগেই সম্পন্ন হয়েছে তাকে অতীত কাল বলে। অতীত কাল আবার ৪ প্রকার :
সাধারণ অতীত : যে ক্রিয়া অতীত কালে সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছে তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি খেলা শেষ করে বাড়ি ফিরলাম।
২. তিনি আমাকে দেখে অনেক খুশি হলেন।
৩. তিনি আমাকে না বলেই চলে গেলেন।

পুরাঘটিত অতীত : যে ক্রিয়া অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে তাকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি তাকে আমার বাসায় ডেকেছিলাম।
২. আমি তার বিয়েতে গিয়েছিলাম।
৩. তুমি কি তার খোঁজ নিয়েছিলে?

ঘটমান অতীত : যে ক্রিয়া অতীতে শুরু হয়ে অতীতেই চলছিল তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি তার জন্যে অপেক্ষা করছিলাম।
২. রিয়াদ তখন খেলা দেখছিল।
৩. আমি তোমার কথা ভাবছিলাম।

নিত্যবৃত্ত অতীত : যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত এমন বোঝায় তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি রোজ বিকেলে মাঠে খেলতে যেতাম।
২. বিন্দু প্রতি মাসেই আমাদের বাড়িতে আসত।
৩. বড়দা প্রতিদিন বিলে মাছ ধরতে যেতেন।

ভবিষ্যৎ কাল

যে ক্রিয়া ভবিষ্যতে সম্পন্ন হবে, অর্থাৎ যা এখনও সম্পন্ন হয়নি তাকে ভবিষ্যৎ কাল বলে। ভবিষ্যৎ কাল আবার ৩ প্রকার :
সাধারণ ভবিষ্যৎ : যে ক্রিয়া ভবিষ্যতে সাধারণভাবে সংঘটিত হবে তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি তোমাকে ডাকব।
২. রিহান বাজারে যাবে।
৩. আমি বেহুলা হব বারবার।

ঘটমান ভবিষ্যৎ : যে ক্রিয়ার কাজ ভবিষ্যতে শুরু হয়ে চলতে থাকবে তাকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি তার সঙ্গে কথা বলতে থাকব।
২. পীযুষ তখন ব্যায়াম করতে থাকবে।
৩. সে তখন খেলতে থাকবে।

পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ : যে ক্রিয়ার কাজ ভবিষ্যতে শুরু হয়ে শেষ হবে তাকে পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল বলে।
দৃষ্টান্ত :
১. মনে হয় সে ব্যাপারটা বুঝে থাকবে।
২. সে হয়তো তোমাকে সাহায্য করে থাকবে।
৩. মনীষা অঙ্কটা বুঝে থাকবে।

‘কর্’ ধাতুর রূপ

কর্ ধাতুও বাংলায় বহুল ব্যবহৃত একটি ধাতু। আমরা অনেকেই কর্ ধাতুর ক্রিয়াপদ লিখতে গিয়ে ভুল করে থাকি। চলুন জেনে নিই কর্ ধাতুর চলিত রূপগুলো।

ক. ব্যক্তি নিজে কাজ করলে সাধারণত নিচের রূপগুলো বসে :
করতাম, করেছিলাম, করছিলাম, করলাম, করেছি, করছি, করি, করব, করতে, করেছিলে, করছিলে, করলে, করেছ, করছ, করো, করবে, কোরো, করতি (স), করেছিলি, করছিলি, করলি, করেছিস, করছিস, করিস, করবি, কর, করত, করেছিল, করছিল, করল, করেছে, করছে, করে, করবে, করুক, করতেন, করেছিলেন, করছিলেন, করলেন, করেছেন, করছেন, করেন, করবেন, করুন, করে।
প্রয়োগ :
১. আমি একসময় খুব খেলাধুলো করতাম।
২. আমি তাকে সাহায্য করেছিলাম।
৩. আমি তখন কাজ করছিলাম।
৪. আমি মাত্র কাজটা শেষ করলাম।
৫. আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি।
৬. আমি এখন পড়াশোনা করছি।
৭. আমি এখন চাকরি করি।
৮. ঠিক আছে, আমি তোমার কাজটা করব।
৯. আমাকে যদি একটু সাহায্য করতে তাহলে ভালো হতো।
১০. তুমিই তো আমার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলে।
১১. রাত ১১টা পর্যন্ত তুমি বাজারে কী করছিলে?
১২. তুমি কেন এমন কাজ করলে!
১৩. দুপুরের খাওয়া শেষ করেছ?
১৪. তুমি এখন কী করছ?
১৫. আমি চাই কাজটা তুমিই করো।
১৬. তুমি এমন করবে সেটা আমি ভাবতেও পারিনি।
১৭. তিনমাসের মধ্যে কাজটি শেষ কোরো।
১৮. আমাকে অন্তত একবার স্মরণ করতি (স)।
১৯. তুই তাকে কেন কল করেছিলি?
২০. এতক্ষণ বাইরে কী করছিলি?
২১. তুই এমন কাজ কীভাবে করলি!
২২. আমার কাজটা শেষ করেছিস?
২৩. তুই কি এখন গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ করছিস?
২৪. আমাকে এই কাজে সহায়তা করিস।
২৫. তুই এত খারাপ কাজ করবি সেটা আমার ধারণার বাইরে ছিল।
২৬. এখনই খাওয়া শেষ কর।
২৭. তুহিন আগে রেলওয়েতে চাকরি করত।
২৮. নাজিম আমাকে অপমানিত করেছিল।
২৯. সে তখনও আমার সঙ্গে তর্ক করছিল।
৩০. সে মাত্র পড়া শুরু করল ।
৩১. টিটু সরকারি চাকরিতে আবেদন করেছে।
৩২. সে রাগে গজগজ করছে।
৩৩. জলিল খুব ভালো কাজ করে।
৩৪. তুমি কবে ভালোভাবে কাজ করবে?
৩৫. সে তার মতো কাজ করুক।
৩৬. আমার নানা আমাকে খুব স্নেহ করতেন।
৩৭. এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যই রাস্তাটা মেরামত করতে টাকা বরাদ্দ করেছিলেন।
৩৮. তিনি আমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করলেন।
৩৯. আপনি নাশতা করেছেন?
৪০. তিনি এখন কাজ করছেন।
৪১. আপনি দ্রুত কাজটা শেষ করেন/করুন।
৪২. বাড়িতে গিয়ে আমাকে কল করবেন।
৪৩. সে এখন কেরানির চাকরি করে।

খ. ব্যক্তি অন্যের দ্বারা কাজ করালে সাধারণত নিচের রূপগুলো বসে :
করাতাম, করিয়েছিলাম, করাচ্ছিলাম, করালাম, করিয়েছি, করাচ্ছি, করাই, করাব, করাতে, করিয়েছিলে, করাচ্ছিলে, করালে, করিয়েছ, করাচ্ছ, করাও, করাবে, কোরিয়ো, করাতি (স), করিয়েছিলি, করাচ্ছিলি, করালি, করিয়েছিস, করাচ্ছিস, করাস, করাবি, করা, করাতো, করিয়েছিল, করাচ্ছিল, করালো, করিয়েছে, করাচ্ছে, করায়, করাবে, করাক, করাতেন, করিয়েছিলেন, করাচ্ছিলেন, করালেন, করিয়েছেন, করাচ্ছেন, করাবেন, করান, করিয়ে।
প্রয়োগ :
১. আগে জানলে তোমাকে দিয়েই কাজটা করাতাম।
২. আমি সুব্রতকে দিয়ে আমার ঘরের রং করিয়েছিলাম।
৩. তোমাকে অপেক্ষা করাচ্ছিলাম কারণ আমি তখন খুব ব্যস্ত ছিলাম।
৪. শুধু শুধু তোমাকে কষ্ট করালাম।
৫. তমা কনস্ট্রাকশনকে দিয়ে আমার নতুন বাড়ি করিয়েছি।
৬. আমি খুব শীঘ্রই কাজটা করাচ্ছি।
৭. আমি এখন তাকে দিয়ে আমার বাড়ির কাজ করাই না।
৮. অনেকদিন ধরে ভাবছি যে রাস্তাটা পাকা করাব।
৯. তোমার ভাইকে দিয়েই তো কাজটা করাতে পারতে।
১০. তুমি রফিককে দিয়ে কাজটা করিয়েছিলে?
১১. তাকে অযথা কেন দেরি করাচ্ছিলে?
১২. তুমি কেন তাকে দিয়ে এই অপরাধ করালে?
১৩. তুমি নাকি তাকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নালিশ করিয়েছ?
১৪. আমাকে শুধু শুধু অপেক্ষা করাচ্ছ কেন?
১৫. আমি বলছি না তুমি আমাকে দিয়ে কাজ করাও।
১৬. তুমি আমাকে আর কত দেরি করাবে?
১৭. তুমি জিসানকে দিয়ে কাজটা কোরিয়ো।
১৮. তাকে দিয়ে আমাকে একটিবার কল করাতি (স)।
১৯. দাসীকে দিয়ে ঘরটা পরিষ্কার করিয়েছিলি?
২০. ওকে দিয়ে কেন আমাকে হেনস্তা করাচ্ছিলি?
২১. আমার বিরুদ্ধে এমন নালিশ কীভাবে করালি?
২২. তোর বউয়ের অস্ত্রোপচার করিয়েছিস?
২৩. আমাকে কেন দেরি করাচ্ছিস?
২৪. কাজ যেহেতু করাবি সেহেতু আমার ভাইকে দিয়েই করাস।
২৫. এসব কাজ করা সহজ নয়।
২৬. সে আমাকে দিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজ করাতো।
২৭. সে-ই এসব কাজ করিয়েছিল।
২৮. সে যখন কাজ করাচ্ছিল তখন আমি হঠাৎ হাজির হয়েছিলাম।
২৯. সে কেন আমাকে দিয়ে এমন কাজ করালো তা আমার আজও অজানা।
৩০. সে আমাকে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়েছে।
৩১. সে আমাকে দিয়ে প্রতিনিয়ত খারাপ কাজ করাচ্ছে।
৩২. সে যদি ফারুককে দিয়ে কাজ করায় তো করাক।
৩৩. সে আমাকে এতক্ষণ অপেক্ষা করাবে তা আমি বুঝতে পারিনি।
৩৪. মহারাজ গোপালকে দিয়ে যাবতীয় কঠিন কাজ করাতেন।
৩৫. সম্রাট শাহজাহান তাজমহল তৈরি করিয়েছিলেন।
৩৬. তিনি হেলালকে দিয়ে কাজটা করাচ্ছিলেন।
৩৭. বৈকুণ্ঠ শ্বশুরকে দিয়ে বিনোদের নামে মামলা করালেন।
৩৮. তিনি আমাকে দিয়ে এই কঠিন কাজটি করিয়েছেন।
৩৯. তাকে দিয়ে এত কষ্ট করাচ্ছেন কেন?
৪০. আপনি নেহালকে দিয়ে কাজটা করাবেন তো করান, আমার এতে কোনো আপত্তি নেই।
৪১. বাবা বেঁচে থাকতে সবকিছু ঠিকঠাক করিয়ে নাও।

‘দি’ ধাতুর রূপ

দি ধাতু বাংলায় বহুল ব্যবহৃত একটি ধাতু। আজকাল আমরা অনেকেই মুখের ভাষাকেই লেখার ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করেছি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে আমরা মৌখিক ভাষার সঙ্গে এত বেশি পরিচিত হয়ে গিয়েছি যে, আজকাল এগুলোকেই শুদ্ধ ও লেখার ভাষা মনে হয়।

আর এই কারণেই আমরা দি ধাতুর ভুল প্রয়োগ করছি প্রতিনিয়ত। চলুন জেনে নিই দি ধাতুর চলিত রূপগুলো।

ক. ব্যক্তি নিজে কাজ করলে সাধারণত নিচের রূপগুলো বসে :
দিতাম, দিয়েছিলাম, দিচ্ছিলাম, দিলাম, দিয়েছি, দিচ্ছি, দিই, দেবো, দিতে, দিয়েছিলে, দিচ্ছিলে, দিলে, দিয়েছ, দিচ্ছ, দাও, দিয়ো, দেবে, দিতি (স), দিয়েছিলি, দিচ্ছিলি,
দিলি, দিয়েছিস, দিচ্ছিস, দিস, দিবি, দে, দিত, দিয়েছিল, দিচ্ছিল, দিলো, দিয়েছে, দিচ্ছে, দেয়, দেবে, দিক,
দিতেন, দিয়েছিলেন, দিচ্ছিলেন, দিলেন, দিয়েছেন, দিচ্ছেন, দেন, দেবেন, দিন, দিয়ে।
প্রয়োগ :
১. আমি রোজই তাকে কল দিতাম।
২. আমি তাকে একটা ডায়ারি উপহার দিয়েছিলাম।
৩. আমি তাকে তাড়া দিচ্ছিলাম কারণ আমি তখন ব্যস্ত ছিলাম।
৪. আমার সবকিছু তোমাকে দিয়ে দিলাম।
৫. আমি বৃদ্ধটাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি।
৬. আমরাই তাকে প্রথম এই সুযোগটি দিই।
৭. আমি এই অবস্থায় তোমাকে যেতে দেবো না।
৮. কষ্ট করে আসার কী দরকার ছিল, আমাকে একটা কল দিতে।
৯. যখন তুমি খুদে বার্তা দিয়েছিলে তখন আমি মুঠোফোনের পাশে ছিলাম না।
১০. বারবার কেন আমাকে ডাক দিচ্ছিলে?
১১. আমাকে আজও খবরটা দিয়েছ?
১২. দিচ্ছ ভীষণ যন্ত্রণা, বুঝতে কেন পারছ না ছাই মানুষ আমি যন্ত্র না।
১৩. আমাকে আরেকবার সুযোগ দাও।
১৪. হলুদ খামে হলেও পত্র দিয়ো।
১৫. আমাকে রশিদের বাড়ির ঠিকানাটা দেবে?
১৬. সে আমাকে খবর দিক আর না-ই দিক, আমি যাবই।
১৭. তিনি আমাকে খুব ভালো উপদেশ দিতেন।
১৮. তিনি আমাকে একটা টাকার খাম দিয়েছিলেন।
১৯. তিনি আমাকে বারবার কেন খবর দিচ্ছিলেন তা আমি বুঝছিলাম না।
২০. তিনি খুশি হয়ে আমাকে ৫০০০ টাকা উপহার দিলেন।
২১. বাবা আমাকে অনেককিছুই দিয়েছেন।
২২. তিনি আমাকে রোজ কল দিচ্ছেন।
২৩. আমাকে কিছু টাকা ধার দেন/দিন।
২৪. সে এলে আমাকে ডাক দেবেন।
২৫. তোমাকে দিয়ে কিছুই হবে না।
২৬. আমি এখনই তার টাকা দিয়ে দিচ্ছি।
২৭. আমাকে কেন এই অপবাদ দিলে?
২৮. আমাকে একবার খবরটা দিতি (স)।
২৯. আমাকে তখন অযথা কেন ডাক দিয়েছিলি?
৩০. আমাকে কেন অনবরত ডাক দিচ্ছিলি?
৩১. আমাকে কতটুকু সম্মান দিয়েছিস?
৩২. আমাকে কেন দোষ দিচ্ছিস?
৩৩. পরীক্ষার খাতায় ঠিকমতো উত্তর দিস।
৩৪. ভোরবেলা আমাকে ঘুম থেকে ডেকে দিবি।
৩৫. তোর মাকে তাড়াতাড়ি ডাক দে।
৩৬. সে আমাকে প্রায়ই পত্র দিত।
৩৭. সে আমাকে একটা দামি কলম দিয়েছিল।
৩৮. সে আমার কাজ করে দিচ্ছিল, তাই আমি তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
৩৯. সে অবশেষে আমার চিঠির জবাব দিলো।
৪০. বিপিন তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে।
৪১. সে আমাকে যেতে দিচ্ছে না।
৪২. সে-ই আমাকে সব খবর দেয়।

খ. ব্যক্তি অন্যের দ্বারা কাজ করালে সাধারণত নিচের রূপগুলো বসে :
দেওয়াতাম, দিইয়েছিলাম, দেওয়াচ্ছিলাম, দেওয়ালাম, দিইয়েছি, দেওয়াচ্ছি, দেওয়াই, দেওয়াব, দেওয়াতে, দিইয়েছিলে, দেওয়াচ্ছিলে, দেওয়ালে, দিইয়েছ,
দেওয়াচ্ছ, দেওয়াও, দিইয়ো, দেওয়াবে, দেওয়াতি, দিইয়েছিলি, দেওয়াচ্ছিলি, দেওয়ালি, দিইয়েছিস, দেওয়াচ্ছিস, দেওয়াস, দেওয়াবি, দেওয়া, দেওয়াত, দিইয়েছিল, দেওয়াচ্ছিল, দেওয়ালো, দিইয়েছে, দেওয়াচ্ছে, দেওয়ায়, দেওয়াবে, দেওয়াক, দেওয়াতেন, দিইয়েছিলেন, দেওয়াচ্ছিলেন, দেওয়ালেন, দিইয়েছেন, দেওয়াচ্ছেন, দেওয়াবেন, দেওয়ান।
প্রয়োগ :
১. প্রয়োজন হলে আমি সিজানকে দিয়ে তোমাকে খবর দেওয়াতাম।
২. দারোয়ানের মাধ্যমে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিইয়েছিলাম।
৩. আরে তুমি এসে পড়েছ! আমি তো বিপুলের মাধ্যমে তোমাকে খবর দেওয়াচ্ছিলাম।
৪. শিমুকে দিয়ে রশিদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ালাম।
৫. তারেককে দিয়ে তোমার বাড়িতে খবর দিইয়েছি।
৬. আমি এখনই তাকে খবর দেওয়াচ্ছি।
৭. তাহলে তোমাকে দিয়েই তোমার মাকে খবরটা দেওয়াব।
৮. তাকে দিয়ে আমাকে একটা কল দেওয়াতে।
৯. তুমিই তো নাহিদের মাধ্যমে আমাকে খবরটা দিইয়েছিলে।
১০. বারবার পুলিশ দিয়ে কেন আমাকে হুমকি দেওয়াচ্ছিলে?
১১. আমাকে কেন পিয়ন দিয়ে চিঠি দেওয়ালে, তুমি তো নিজে আসতে পারতে।
১২. শুনলাম তুমি নাকি জিসানকে ঘুস দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নালিশ দিইয়েছ!
১৩. কেন বারবার আমাকে হুমকি দেওয়াচ্ছ?
১৪. তুমি তাকে দিয়ে যতই পত্র দেওয়াও না কেন, কোনো লাভ হবে না।
১৫. রাতুলের মাধ্যমে আমার জিনিসটা বাড়িতে পৌঁছে দিইয়ো।
১৬. আমাকে দিয়ে আর কতবার পরীক্ষা দেওয়াবে?
১৭. তোর ভাইকে দিয়ে আমাকে অন্তত একবার ডাক দেওয়াতি।
১৮. তুই তো টুটুলের মাধ্যমে আমাকে খবরটা দিইয়েছিলি।
১৯. কেন অসীমকে দিয়ে আমাকে অনবরত কল দেওয়াচ্ছিলি?
২০. তুই কেন তাকে দিয়ে আমাকে হুমকি দেওয়ালি?
২১. তুই কেন তাকে দিয়ে খবর দিইয়েছিস, নিজে তো বলতে পারতিস।
২২. কুবুদ্ধি করে তাকে দিয়ে কেন আমাকে কষ্ট দেওয়াচ্ছিস?
২৩. তাকে দিয়ে আমাকে একটা কল দেওয়াস।
২৪. বাড়িতে গিয়ে তোর আম্মাকে দিয়ে আমাকে কল দেওয়াবি।
২৫. আমাকে অন্তত একবার তাকে দিয়ে চিঠি দেওয়া।
২৬. সে আমাকে গুন্ডা দিয়ে হুমকি দেওয়াত।
২৭. সে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে আমাকে চাকরিটা পাইয়ে দিইয়েছিল।
২৮. সে আমাকে অনবরত খবর দেওয়াচ্ছিল।
২৯. সে শেষ পর্যন্ত আমাকে নোটিশ দেওয়ালো।
৩০. সে পাপলুকে দিয়ে আমাকে খবর দিইয়েছে।
৩১. সে আমাকে অন্যের মাধ্যমে সুযোগ দেওয়াচ্ছে।
৩২. সে আজও আমাকে অন্যের মাধ্যমে খবর দেওয়ায়।
৩৩. আর কতবার আমাকে খবর দেওয়াবে?
৩৪. সে পারে তো আমাকে জেলে দেওয়াক।
৩৫. রাজা প্রহরীর মাধ্যমে দুস্থদেরকে খাবার দেওয়াতেন।
৩৬. রাজা পেয়াদা পাঠিয়ে গোপালকে খবর দিইয়েছিলেন।
৩৭. মুঠোফোনে না পেয়ে তিনি আমাকে লোক দিয়ে খবর দেওয়াচ্ছিলেন।
৩৮. বড়ো ভাই মাকে দিয়ে আমাকে বকা দেওয়ালেন।
৩৯. অফিসে না যাওয়ায় বড়োকর্তা আমাকে খবর দিইয়েছেন।
৪০. তাকে দিয়ে কেন আমাকে বারবার কল দেওয়াচ্ছেন?
৪১. তাকে বলে আমাকে একবার এই চলচ্চিত্রটিতে সুযোগ দেওয়াবেন?
৪২. রাজা প্রহরীকে দিয়ে গোপালকে বলে দেওয়ান যে, গোপালকে তাড়াতাড়ি প্রাসাদে হাজির হতে হবে।

দ্রষ্টব্য—ওপরের ধাতুরূপগুলো বাদে দি ধাতুর বাকি সব রূপই আঞ্চলিক ও সাধু।

সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ/ও-কার

সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ/ও-কার লেখা কিছুটা সংশয়মূলক। কোন শব্দে বিসর্গ আর কোন শব্দে ও-কার সেটা মুখস্থ করাও বেশ কঠিন। তবে একটি সহজ নিয়ম মনে রাখলে নিঃসন্দেহে শুদ্ধ বানান লেখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ, ও-কারের ব্যবহার।

ক. সন্ধিতে বিসর্গের পরে বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বর্ণ (গ, ঘ, জ, ঝ, ড, ঢ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম), য, র, ল, অন্তঃস্থ ব, হ কিংবা স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গের স্থানে ও-কার বসবে এবং বিসর্গের পরে অ বর্ণ থাকলে তা বিলুপ্ত হবে।
দৃষ্টান্ত :
১. মনঃ+যোগ = মনোযোগ
২. মনঃ+মতো = মনোমতো
৩. অধঃ+নমিত = অধোনমিত
৪. অধঃ+বদন = অধোবদন
৫. বয়ঃ+জ্যেষ্ঠ = বয়োজ্যেষ্ঠ
৬. সদ্যঃ+জাত = সদ্যোজাত
৭. অধঃ+গতি = অধোগতি
৮. মনঃ+ভাব = মনোভাব
৯. ইতঃ+মধ্যে = ইতোমধ্যে
১০. মনঃ+বাসনা = মনোবাসনা
১১. ততঃ+অধিক = ততোধিক
১২. মনঃ+রঞ্জন = মনোরঞ্জন

খ. বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ, স ইত্যাদি বর্ণ থাকে তাহলে বিসর্গের কোনো পরিবর্তন হবে না।
দৃষ্টান্ত :
১. প্রাতঃ+কাল = প্রাতঃকাল
২. বহিঃ+প্রকাশ = বহিঃপ্রকাশ
৩. মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট
৪. মনঃ+পূত = মনঃপূত
৫. ইতঃ+পূর্বে = ইতঃপূর্বে
৬. বয়ঃ+সন্ধি = বয়ঃসন্ধি
৭. অন্তঃ+সত্ত্বা = অন্তঃসত্ত্বা
৮. বয়ঃ+কনিষ্ঠ = বয়ঃকনিষ্ঠ
৯. অধঃ+পতন = অধঃপতন

ও/এবং-এর ব্যবহার

ও বা এবং হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত দুটি সংযোজক অব্যয়। শব্দ দুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োগে পার্থক্য রয়েছে। প্রায়োগিক দিক দিয়ে শব্দ দুটি একে অন্যের পরিপূরক নয়। চলুন জেনে নিই শব্দ দুটির যথাযথ ব্যবহার।

—সাধারণত দুটি পদকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এজন্য দুটি পদের মাঝে ব্যবহৃত হবে।
দৃষ্টান্ত :
১. রহিম ও করিম খুব ভালো ছেলে।
২. আম ও কাঁঠাল আমার পছন্দের ফল।
৩. সিদ্ধার্থ শুদ্ধ বাংলা বলতে ও লিখতে পারে।
৪. ঝুমুরের বাবা ঝুমুরকে মেলা থেকে মন্ডা ও বেলুন কিনে দিয়েছিলেন।

এবং—সাধারণত দুটি বাক্য বা বাক্যাংশের সংযোগ ঘটাতে এবং ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি আগামীকাল ঢাকায় যাব এবং সিজানের সঙ্গে দেখা করব।
২. রাফিদা ও রিহান আগামীকাল দেখা করবে এবং তাদের বিয়ের ব্যাপারে আলোচনা করবে।
৩. রনি ও জনির চেহারায় অনেক মিল এবং তাদের রুচিতেও অনেক মিল আছে।
৪. আম্ফানের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং অনেকে ঘরছাড়াও হয়েছিল।

উপসর্গ কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী?

উপসর্গ হচ্ছে অব্যয়সূচক শব্দাংশ বা ধ্বনি যা অন্য শব্দের আগে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে। উপসর্গ নিজে স্বাধীন শব্দ বা পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না—অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে

১. বাংলা উপসর্গ : বাংলা ভাষার নিজস্ব (খাঁটি বাংলা) উপসর্গ মোট ২১ টি।

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
নয়, মন্দতাঅকাজ, অমিল, অসীম
অঘাবোকাঅঘামার্কা, অঘারাম, অঘাচণ্ডী
অজনিতান্ত (মন্দ)অজমূর্খ, অজপুকুর, অজপাড়াগাঁ
অনামন্দতা, অভাব, অদ্ভুত অনাবৃষ্টি, অনাসৃষ্টি, অনামুখো
আড়বাঁকা, প্রায়আড়পাগলা, আড়চোখা, আড়মোড়া
আননয়, বিক্ষিপ্ত আনকোরা, আনচান, আনমনা
আবঅস্পষ্টতাআবছায়া, আবডাল,
ইতিএ বা এর, পুরাতন ইতিকর্তব্য, ইতিকথা, ইতিহাস
উনকমউনপাঁজুরে, উনপঞ্চাশ
কুমন্দতাকুনজর, কুমতলব, কুখ্যাত, কুদৃষ্টি
নিনেই, নেতিবাচক নিখুঁত, নিখাদ
পাতিক্ষুদ্রপাতিলেবু, পাতিহাঁস, পাতিনেতা
ভরপূর্ণভরপেট, ভরদুপুর
রামবড়ো, উৎকৃষ্ট রামছাগল, রামদা
সাউৎকৃষ্টসাজোয়া
হাঅভাবহাঘরে, হাপিত্যেশ, হাভাতে
অভাব, বাজে, নিকৃষ্ট আধোয়া, আগাছা, আকাল
কদ্নিকৃষ্ট কদাচার, কদাকার, কদর্য
বিনেই, নিন্দনীয় বিপথ, বিকল, বিফল
সঙ্গে, অতিশয়সরব, সঠিক, সজোর, সপরিবার
সুভালো, উৎকৃষ্ট সুখবর, সুদিন, সুপাঠ্য

২. সংস্কৃত উপসর্গ : সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে এমন উপসর্গ মোট ২০ টি।

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
প্রপ্রকৃষ্ট, সম্যক, আধিক্য, খ্যাতিপ্রচলন, প্রদান, প্রভাব, প্রতাপ, প্রগাঢ় , প্রস্থান
পরাবিপরীত, আতিশয্য পরাভব, পরাজয়, পরাশক্তি, পরাভূত
অপবিপরীত, অপকর্ষ, দূরীকরণ অপচয়, অপমান, অপকার, অপসারণ
সম্সন্নিবেশ, সম্যক, অভিমুখী, আতিশয্য সংগঠন, সংকলন, সঞ্চয়, সমাদর, সমর্থন
নিআধিক্য, পুরোপুরি, নিচে নিপীড়ন, নিদারুণ, নিশ্চুপ, নিস্তব্ধ, নিবিষ্ট, নিপাত, নিক্ষেপ
অবনিম্নমুখিতা, মন্দ, সম্যকঅবরোধ, অবতরণ, অবগাহন, অবনতি, অবজ্ঞা, অবক্ষয়
অনুপরে, নিরন্তরতা, অভিমুখী, সাদৃশ্য অনুতাপ, অনুশোচনা, অনুগামী, অনুসরণ, অনুকূল, অনুলিপি
নিঃঅভাব, বিশেষভাবে, বহির্মুখিতা নিরক্ষর, নিরপরাধ, নিরহংকার, নিষ্পন্ন
দুঃমন্দ, অভাব, কঠিন, আধিক্য দুঃসাহস, দুর্দান্ত, দুর্দমনীয়, দুর্নীতি, দুস্তর, দুষ্কর্ম
বিসম্যক, বিপরীত, ভিন্ন, অভাব বিফল, বিকর্ষণ, বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিকার, বিজ্ঞান
অধিপ্রধান, মধ্যে অধিপতি, অধিনায়ক, অধিকার, অধিষ্ঠিত
সুভালো, সহজ, আতিশয্য সুগন্ধ, সুগঠিত, সুমতি, সুনাম, সুতীব্র
উৎওপরের দিক, অপকর্ষ, আতিশয্য উল্লিখিত, উন্নতি, উদ্‌বোধন
পরিচতুর্দিক, সম্পূর্ণ পরিভ্রমণ, পরিক্রমা, পরিতৃপ্ত, পরিত্যক্ত
প্রতিবিপরীত, সাদৃশ্য, পৌনঃপুনিকতা প্রতিপক্ষ, প্রতিরক্ষা, প্রতিদিন, প্রতিচ্ছবি, প্রতিদান
উপনিকট, অপ্রধান, সম্যক উপকূল, উপকণ্ঠ, উপভাষা, উপভোগ, উপাচার্য, উপবন
পর্যন্ত, ঈষৎ আকণ্ঠ, আমরণ, আনত, আরক্ত
অভিসম্যক, গমনঅভিব্যক্তি, অভিযান, অভিসার
অপিব্যাকরণের সূত্রঅপিনিহিতি
অতিআতিশয্য, অতিক্রম অতিশয়, অতিমানব, অতিপ্রাকৃত

৩. ফারসি উপসর্গ : বাংলায় বহুল ব্যবহৃত ফারসি উপসর্গগুলো হলো :

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
কারকাজকারবার, কারখানা, কারসাজি
খোশআনন্দদায়কখোশগল্প, খোশমেজাজ
দরকম, নিম্নস্থদরকাঁচা, দরদালান, দরপাট্টা
নানয়নারাজ, নাচার, নাবালক, নাহক
নিমঅর্ধ বা প্রায় নিমরাজি, নিমখুন
ফিপ্রত্যেকফি-বছর, ফি-হপ্তা
সহ বা সঙ্গে বকলম, বমাল
বদমন্দ, উগ্রবদমেজাজ, বদনাম, বদনসিব, বদমায়েশ, বদভ্যাস
বেনেই, খারাপ, ভিন্ন বেআক্কেল, বেহুঁশ, বেশরম, বেতার, বেকার

৪. আরবি উপসর্গ : বাংলায় বহুল ব্যবহৃত আরবি উপসর্গগুলো হলো :

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
আমসর্বসাধারণআমজনতা, আমদরবার, আমরাস্তা
খাসব্যক্তিগতখাসকামরা, খাসমহল, খাসদখল
লানা, নেই লাপাত্তা, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ
গরনেই, ভুল গরমিল, গররাজি, গরহাজির

৫. ইংরেজি উপসর্গ : বাংলায় বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি উপসর্গগুলো হলো :

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
ফুলপুরোফুলপ্যান্ট, ফুলমোজা
হাফঅর্ধেকহাফটিকিট, হাফপ্যান্ট
হেডপ্রধান হেডমাস্টার, হেডপণ্ডিত
সাবঅধীন, অপ্রধান সাব-রেজিস্ট্রার, সাব-অর্ডিনেট, সাব-অফিস, সাব-জোনাল

৬. উর্দু ও হিন্দি উপসর্গ : বাংলায় ব্যবহৃত হিন্দি ও উর্দু উপসর্গ ১ টি।

নামঅর্থদ্যোতনাউদাহরণ
হরপ্রত্যেক, বিভিন্ন হররোজ, হরকিসিম, হরহামেশা

ল্লিখিত উদ্‌বোধন দুটি বহুল ব্যবহৃত উপসর্গযুক্ত শব্দ যা আমরা ভুুল করি।