না হলে/নাহলে-এর ব্যবহার

উপরিউক্ত শব্দ দুটি আমরা প্রায়ই ব্যবহার করে থাকি।
না বুঝে অনেকে ভুল করেও বসি। চলুন জেনে নিই এদের যথাযথ ব্যবহার।

না হলে—‘বাস্তবিকই যদি না ঘটে বা যদি না হয়’ এমন অর্থে না হলে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. বৃষ্টি না হলে আমি ঘুরতে যাব।
২. এই কাজে সফল না হলে আবার চেষ্টা কোরো।
৩. এখন আসা সম্ভব না হলে আপনি পরে আসুন।

নাহলে—সাধারণত ব্যতীত, অন্যথায় অর্থে নাহলে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. মিথ্যে বলা ছেড়ে দাও, নাহলে বিপদে পড়বে।
২. আজ স্কুলে যাও, নাহলে তোমাকে খেলনা কিনে দেবো না।
৩. তুমি নাহলে তোমার বাবা—যে-কোনো একজন এলেই হবে।

সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ/ও-কার

সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ/ও-কার লেখা কিছুটা সংশয়মূলক। কোন শব্দে বিসর্গ আর কোন শব্দে ও-কার সেটা মুখস্থ করাও বেশ কঠিন। তবে একটি সহজ নিয়ম মনে রাখলে নিঃসন্দেহে শুদ্ধ বানান লেখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই সন্ধিবদ্ধ শব্দে বিসর্গ, ও-কারের ব্যবহার।

ক. সন্ধিতে বিসর্গের পরে বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বর্ণ (গ, ঘ, জ, ঝ, ড, ঢ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম), য, র, ল, অন্তঃস্থ ব, হ কিংবা স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গের স্থানে ও-কার বসবে এবং বিসর্গের পরে অ বর্ণ থাকলে তা বিলুপ্ত হবে।
দৃষ্টান্ত :
১. মনঃ+যোগ = মনোযোগ
২. মনঃ+মতো = মনোমতো
৩. অধঃ+নমিত = অধোনমিত
৪. অধঃ+বদন = অধোবদন
৫. বয়ঃ+জ্যেষ্ঠ = বয়োজ্যেষ্ঠ
৬. সদ্যঃ+জাত = সদ্যোজাত
৭. অধঃ+গতি = অধোগতি
৮. মনঃ+ভাব = মনোভাব
৯. ইতঃ+মধ্যে = ইতোমধ্যে
১০. মনঃ+বাসনা = মনোবাসনা
১১. ততঃ+অধিক = ততোধিক
১২. মনঃ+রঞ্জন = মনোরঞ্জন

খ. বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ, স ইত্যাদি বর্ণ থাকে তাহলে বিসর্গের কোনো পরিবর্তন হবে না।
দৃষ্টান্ত :
১. প্রাতঃ+কাল = প্রাতঃকাল
২. বহিঃ+প্রকাশ = বহিঃপ্রকাশ
৩. মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট
৪. মনঃ+পূত = মনঃপূত
৫. ইতঃ+পূর্বে = ইতঃপূর্বে
৬. বয়ঃ+সন্ধি = বয়ঃসন্ধি
৭. অন্তঃ+সত্ত্বা = অন্তঃসত্ত্বা
৮. বয়ঃ+কনিষ্ঠ = বয়ঃকনিষ্ঠ
৯. অধঃ+পতন = অধঃপতন

হয় তো/হয়তো-এর ব্যবহার

হয় তোহয়তো শব্দ দুটি লিখতে গিয়ে আমরা প্রায়ই সংশয়ে থাকি। বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্যে এদের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি। চলুন জেনে নিই এদের যথাযথ ব্যবহার।

হয় তো—একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরেকটি ঘটনা ঘটলে বা হ্যাঁ-সূচক অর্থে হয় তো ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. যদি বৃষ্টি হয় তো আমি বাজারে যাব না।
২. সে আমার বন্ধু হয় তো।
৩. যদি সম্ভব হয় তো কাল একবার দেখা কোরো।
৪. নির্দোষ হয় তো সে মুক্তি পাবে।
৫. যদি অসুবিধে না হয় তো দুদিন থেকে যাও।

হয়তো—সম্ভাব্যতা বা অনিশ্চয়তা অর্থে হয়তো ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি হয়তো আগামী শনিবার ব্যস্ত থাকব।
২. সে হয়তো তোমাকে চিনতেও পারে।
৩. আগামী তিনদিন হয়তো বৃষ্টি হবে।
৪. হয়তো আর কোনোদিনই তোমার সঙ্গে আমার দেখা হবে না।

নয় তো/নয়তো-এর ব্যবহার

নয় তোনয় তো শব্দটি না-বোধক অর্থে বা সংশয় প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. সে এমন দুষ্টু ছেলে নয় তো।
২. সে তোমার মতো বোকা নয় তো।
৩. লোকটা ধান্দাবাজ নয় তো?
৪. লোকটার চরিত্র ভালো নয় তো, একদিন ধরা পড়বেই।
৫. এটা আবার নতুন কোনো ঝামেলা নয় তো?

নয়তো—অন্যথায়, নাহয়, নাহলে ইত্যাদি অর্থে নয়তো শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. তুমি আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসো, নয়তো আমি তোমাদের বাড়িতে যাব না।
২. পড়াশোনায় মনোযোগ দাও, নয়তো ভবিষ্যতে আফসোস করবে।
৩. আমি চাকরি করব, নয়তো উদ্যোক্তা হব।
৪. মন চাইলে আমার সঙ্গে থাকো, নয়তো থেকো না।
৫. সাজিদ নয়তো মজিদ—যে-কোনো একজন আমাকে সাহায্য করবে।

‘মতো’ একসঙ্গে না আলাদাভাবে লিখবেন?

মতো’ শব্দটি একসঙ্গে লিখব না আলাদাভাবে লিখব সেটা নিয়ে আমরা প্রায়ই সংশয়ে থাকি। চলুন জেনে নিই আজীবন মনে রাখার মতো একটি সহজ নিয়ম।

. ‘মতো’ শব্দটি যদি অনুযায়ী, অনুসারে, মোতাবেক ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাহলে মতো শব্দটি সবসময় আগের শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বসবে।
দৃষ্টান্ত :
১. ঠিকমতো পড়াশোনা কোরো।
২. আমার উপদেশমতো কাজ করবে।
৩. আমার কথামতো চললে তোমার আজ এই অবস্থা হতো না।
৪. তুমি তোমার মনোমতো চলো, আমি বাধা দেবো না।
৫. সচিবরা মন্ত্রীর নির্দেশমতো কাজ করেন।
৬. সময়মতো স্কুলে যেয়ো।
৭. নিজের ইচ্ছেমতো চললে তোমাকে চাকরি ছাড়তে হবে।

. ‘মতো’ শব্দটি যদি সাদৃশ্য, তুল্য, যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয় তাহলে তা আলাদাভাবে বসবে।
দৃষ্টান্ত :
১. মানুষের মতো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো।
২. আমার মতো সুখী আর কেউ নেই।
৩. জীবনানন্দ দাশের মতো প্রকৃতিপ্রেমী কবি আর জন্মাবে কি না সন্দেহ।
৪. ছেলেটা তার বাবার মতো হয়েছে।
৫. আমি তোমার মতো আত্মভোলা মানুষ আর দেখিনি।

ও-এর বিচিত্র ব্যবহার

বিভিন্ন রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে।
ও-এর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যকে সহজবোধ্য করে তোলা যায়। চলুন জেনে নিই ও-এর যথাযথ ব্যবহার।

সর্বনাম হিসেবে—সর্বনাম হিসেবে প্রায়ই ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।
দৃষ্টান্ত :
১. ও আজ আমার সঙ্গে বাজারে যাবে।
২. ওকে আসতে বোলো।
৩. ওঁকে আমি অনেক সম্মান করি।

সংযোজক অব্যয় হিসেবে—দুটি পদের সংযোগ ঘটাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. রঞ্জিত ও সঞ্জিত দুই ভাই।
২. ঢাকা ও চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
৩. ডাল ও মাংস আমার সবচেয়ে পছন্দের খাবার।

অধিকন্তু অর্থে বা জোর প্রকাশে—বাক্যের অর্থে জোর দিতে বা অধিকন্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং সেটা আগের শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বসে।
দৃষ্টান্ত :
১. আমিও তোমার সঙ্গে যাব।
২. সে আজকেও বিদ্যালয়ে আসেনি।
৩. আমি জীবনেও তোমার কথা ভুলব না।
৪. আমাকে আরও কিছু টাকা দাও।
৫. অনেক খুঁজেও তোমার দেখা পাইনি।

ও/এবং-এর ব্যবহার

ও বা এবং হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত দুটি সংযোজক অব্যয়। শব্দ দুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োগে পার্থক্য রয়েছে। প্রায়োগিক দিক দিয়ে শব্দ দুটি একে অন্যের পরিপূরক নয়। চলুন জেনে নিই শব্দ দুটির যথাযথ ব্যবহার।

—সাধারণত দুটি পদকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এজন্য দুটি পদের মাঝে ব্যবহৃত হবে।
দৃষ্টান্ত :
১. রহিম ও করিম খুব ভালো ছেলে।
২. আম ও কাঁঠাল আমার পছন্দের ফল।
৩. সিদ্ধার্থ শুদ্ধ বাংলা বলতে ও লিখতে পারে।
৪. ঝুমুরের বাবা ঝুমুরকে মেলা থেকে মন্ডা ও বেলুন কিনে দিয়েছিলেন।

এবং—সাধারণত দুটি বাক্য বা বাক্যাংশের সংযোগ ঘটাতে এবং ব্যবহৃত হয়।
দৃষ্টান্ত :
১. আমি আগামীকাল ঢাকায় যাব এবং সিজানের সঙ্গে দেখা করব।
২. রাফিদা ও রিহান আগামীকাল দেখা করবে এবং তাদের বিয়ের ব্যাপারে আলোচনা করবে।
৩. রনি ও জনির চেহারায় অনেক মিল এবং তাদের রুচিতেও অনেক মিল আছে।
৪. আম্ফানের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং অনেকে ঘরছাড়াও হয়েছিল।

‘ইদ’ অর্থ কি ঋতুস্রাব? | ইদ নিয়ে চলমান বিতর্ক

‘ইদ’ বানানটি নিয়ে সম্প্রতি বেশ বিতর্ক চলছে। কিছুদিন আগে এটা নিয়ে কয়েকটি পোস্ট আমার চোখে পড়েছে।
কয়েকজনের পোস্টে লেখা দেখলাম যে, খুশি বা ধর্মীয় উৎসব অর্থে ইদ শব্দটি ব্যবহার করা যাবে না। তাদের যুক্তি অনুযায়ী ইদ নাকি একটি খারাপ বিষয় নির্দেশ করে। তাদের মতে ইদ শব্দের অর্থ নারীদের মাসিক বা ঋতুস্রাব।

আসলেই কি তাই? প্রকৃতপক্ষে ইদ শব্দের অর্থ মাসিক বা ঋতুস্রাব নয়। আরবি ইদ্দত (عدة) শব্দের অর্থ ঋতুস্রাবকাল গণনা। ইদ্দত শব্দের আরও অর্থ আছে। যেমন—দিন, সংখ্যা। ইসলামে বহুল ব্যবহৃত ইদ্দতের অর্থ হচ্ছে ‘তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে পুনরায় বিয়ের উপযুক্ত হওয়া (শরিয়ত মোতাবেক) পর্যন্ত সময়কাল, যেটা স্ত্রীকে পালন করতে হয়।

কিছু ব্যক্তির ধারণা ইদ্দত শব্দের মধ্যে ইদ শব্দের সব বর্ণ আছে, এজন্য দুটোর অর্থ একই। একটা শব্দের মধ্যে আরেকটা শব্দের সকল বর্ণের অস্তিত্ব থাকলে যে দুটোর অর্থ একই হবে এটা চিন্তা করা অযৌক্তিক।

নিচের শব্দগুলো একটু লক্ষ করুন :
আল, আলু
কল, কলপ
চুল, চুলো
মন, মন্বন্তর
ঘর, ঘোরা
বার, বার্তা
নিদ, নিদারুণ
কর, করুণ

ওপরের শব্দজোড়াগুলোতে কিন্তু দ্বিতীয় শব্দটির মধ্যে প্রথম শব্দের উপস্থিতি বিদ্যমান। কিন্তু তারপরেও দুটি শব্দের মধ্যে অর্থের ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। তাহলে ইদ্দত শব্দের মধ্যে ইদ শব্দের সকল বর্ণ থাকলে যে দুটো শব্দের একই অর্থ হবে সেটা নিতান্তই অবাস্তব। ইদ শব্দের অর্থ ঋতুস্রাব নয়।

উপরন্তু সব আরবি শব্দকে অবিকৃত উচ্চারণে বাংলায় লেখা সম্ভব নয় তার কারণ—বাংলা ধ্বনির উচ্চারণরীতি ও আরবি ধ্বনির উচ্চারণরীতি আলাদা। বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব অনুযায়ী হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ স্বরের উচ্চারণ একই। যারা বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব বিস্তারিত পড়েছেন তারা এটা নিশ্চয়ই জানেন। বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব অনুযায়ী ইদঈদ—এই দুইয়ের উচ্চারণে কোনো পার্থক্য নেই।

দ্রষ্টব্য—তবে আপনি ‘ইদ’ লিখবেন নাকি ঈদ লিখবেন সেটা নিতান্তই আপনার ইচ্ছে।

দিক ও দিগ-এর ব্যবহার

দিকদিক হচ্ছে সমাস ও সন্ধিতে ক, খ, চ, ছ, ত, থ, প, ফ, শ, ষ, স ইত্যাদি বর্ণের আগে ব্যবহৃত দিগ-এর আরেক রূপ।
উপরিউক্ত যে-কোনো বর্ণের আগে দিগ-এর পরিবর্তে দিক বসবে। যেমন—
১. দিক্+চক্র = দিকচক্র
২. দিক্+পাল = দিকপাল
৩. দিক্+শূল = দিকশূল

দিগদিগ হচ্ছে সমাস ও সন্ধিতে গ, ঘ, ঙ, জ, ঝ, ড, ঢ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম, য, য়, র, ল, হ ইত্যাদি বর্ণের আগে ব্যবহৃত দিক-এর রূপ।
উপরিউক্ত যে-কোনো বর্ণের আগে দিক-এর স্থানে দিগ বসবে।
যেমন—
১. দিক্+অন্ত = দিগন্ত
২. দিক্+অন্তর = দিগন্তর
৩. দিক্+অম্বর = দিগম্বর
৪. দিক্+গজ = দিগ্‌গজ
৫. দিক্+দর্শন = দিগ্‌দর্শন
৬. দিক্+দিগন্ত = দিগ্‌দিগন্ত
৭. দিক্+বিদিক = দিগ্‌বিদিক
৮. দিক্+ভ্রম = দিগ্‌ভ্রম

দ্রষ্টব্যক. সন্ধিতে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম ধ্বনি পরে থাকলে আগের অঘোষ অল্পপ্রাণ স্পর্শধ্বনি সেই বর্গীয় নাসিক্যধ্বনি হয়।
যেমন—
১. দিক্+নির্ণয় = দিঙ্‌নির্ণয়
২. দিক্+নাগ = দিঙ্‌নাগ

খ. স্বরধ্বনি থাকলেও দ্বিতীয় নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

মধ্যে ও মাঝে-এর পার্থক্য

মধ্যে ও মাঝে শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। কিছু ক্ষেত্রে একটিকে অপরটির পরিপূরক হিসেবে ব্যবহার করা গেলেও সবখানেই মধ্যে ও মাঝে একে অন্যের পরিপূরক নয়।

মধ্যে—অভ্যন্তর বা দুটির তুলনায় সাধারণত মধ্যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন—
১. সে চুপিচুপি ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল।
২. দুইমাসের মধ্যে কাজটি শেষ কোরো।

মাঝে—কেন্দ্রবিন্দু বা সময়কাল বোঝাতে সাধারণত মাঝে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন—
১. মাঝে মাঝে সে গ্রামে বেড়াতে আসে।
২. সে মরুভূমির মাঝে পানির জন্য দৌড়াতে লাগল।
৩. এখন সে সুখে আছে, মাঝে তো কারাগারেও ছিল।

দ্রষ্টব্য—মাঝে মাঝে’র পরিবর্তে ‘মাঝে মধ্যে’ও ব্যবহার করা যায়।

কিছু ক্ষেত্রে উভয় শব্দই ব্যবহার করা যায়। যেমন—
১. ওদের মধ্যে/মাঝে রাতুলই বুদ্ধিমান।
২. তাঁর মধ্যে/মাঝে বিশেষ কিছু আছে যা আমাকে আকৃষ্ট করে।